শহীদ ও গুরুতর আহত সেনাসদস্যদের ৭০ পরিবার পেল ‘অপরাজিতা’ ভবনের ফ্ল্যাট বরাদ্দ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক দায়িত্ব পালন এবং দুর্ঘটনায় নিহত ও গুরুতর আহত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পরিবারের জন্য মিরপুর ডিওএইচএসে নির্মিত ‘অপরাজিতা’ বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ ও গুরুতর আহত সামরিক সদস্যদের পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র তুলে দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক কারণে শহীদ ও গুরুতর আহত মোট ৭০টি পরিবারের অনুকূলে এ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিওএইচএস সেন্ট্রাল কমিটির তত্ত্বাবধানে এবং সরকারের অনুমোদনক্রমে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় দুটি ভবনে মোট ১৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ফ্ল্যাটের মধ্য থেকে পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট শহীদ ও গুরুতর আহত সামরিক সদস্যদের পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো এবং গুরুতর আহত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক দায়িত্ব পালনের সময় যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে গুরুতর আহত সদস্যদের পরিবারের প্রতিও রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও সম্মানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

শহীদ ও গুরুতর আহত সামরিক সদস্যদের পরিবারের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও নিরাপদ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারানো কিংবা গুরুতর আহত হওয়ার পর যেসব পরিবার নানা ধরনের আর্থিক ও সামাজিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়, তাদের জন্য স্থায়ী আবাসনের সুযোগ পারিবারিক নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে বরাদ্দগ্রহীতাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, সেনাসদর এবং সেনাকল্যাণ কনস্ট্রাকশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের (এসকেসিডি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।