অহিংসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেই প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: ৩৭ বিজিবির অধিনায়ক

অহিংসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেই প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: ৩৭ বিজিবির অধিনায়ক

অহিংসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেই প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: ৩৭ বিজিবির অধিনায়ক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

‘হিংসা দিয়ে কখনো হিংসার অবসান হয় না। অহিংসা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমেই সমাজ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে।’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে এ কথা বলেছেন রাজনগর ব্যাটালিয়ন (৩৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহনেওয়াজ তাসকিন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) বিকেল ৩টায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার শিজকমুখ সর্বজনীন বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বলেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে হবে। হিংসা ও বিদ্বেষ কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না; বরং অহিংস মনোভাব, সহমর্মিতা এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণের মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

অহিংসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেই প্রতিষ্ঠিত হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: ৩৭ বিজিবির অধিনায়ক

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং সহযোগিতার মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকলে সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সম্প্রীতি, শান্তি ও মানবকল্যাণের বার্তা তুলে ধরা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করার গুরুত্বও উঠে আসে।

অনুষ্ঠান শেষে রাজনগর ব্যাটালিয়ন (৩৭ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মধ্যে বিশেষ উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া স্থানীয় একটি ক্লাবের যুবকদের হাতে জার্সি ও বিভিন্ন খেলাধুলার সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার অংশ হিসেবে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক বন্ধন এবং যুবসমাজের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে রাজনগর ব্যাটালিয়ন (৩৭ বিজিবি)।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *