রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রূপপুর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বায়রা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান।
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার পূর্বে আরও দুটি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। কয়েক দফায় পিছিয়ে ডিসেম্বরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা জানা গেছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, রূপপুরের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি। ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটিসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো হবে।
ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পটি ‘পাওয়ার স্টার্ট-আপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ পর্যায়ে ধীরে ধীরে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো, টারবাইন সিনক্রোনাইজেশন এবং শেষ পর্যন্ত জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প। এতে সিংহভাগ অর্থায়ন দিয়েছে রাশিয়া। ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে রাশিয়ার অর্থায়ন রয়েছে ৯৩ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ এ প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা ছিল। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে জার্মান প্রতিষ্ঠান সিমেন্স কাজকে জটিল করে তোলে।
সিমেন্স ২৩৩/৪০০ কেভি জিআইএস সাব স্টেশন সরবরাহ করার কথা ছিল। শেষ সময়ে সাব স্টেশন সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানালে নতুন ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয় চীনা কোম্পানিকে। নানা কারণে বাণিজ্যিক উৎপাদনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়।
গত ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়। কয়েক দফায় পিছিয়ে অক্টোবরে আংশিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর করা জানানো হয়েছে রোসাটমের পক্ষ থেকে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।