প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সেনাবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র ও জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান - Southeast Asia Journal

প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সেনাবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র ও জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আজ মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসস্থ মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সেনাবাহিনীতে প্রশংসনীয় কাজের জন্য ২০ জন সেনাসদস্যকে প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সেনাবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র হস্তান্তর করেন এবং একই সাথে তাদের ইনসিগনিয়া পরিয়ে দেন। তাদের মধ্যে দুই জন আভিযানিক সফলতার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।

এছাড়া ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য পুরস্কার প্রাপ্ত ১১ জন সেনাসদস্য ও সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক ব্যক্তিবর্গকে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত শুদ্ধাচার চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে এ বছর সর্বমোট ২৫৭ জন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল পুরস্কার প্রাপ্ত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সেনাবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র ও ইনসিগনিয়া এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ সময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন পদবীর অফিসার, জেসিও ও সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান অসামান্য কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি প্রাপ্ত সেনাসদস্যদের অত্যন্ত উচু মনোবল, কর্মস্পৃহা, দেশপ্রেম এবং দায়িত্বের প্রতি অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, তাদের এই স্পৃহা সকলের জন্য পাথেয়। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যদের এই ধরনের অনুকরণীয় কাজের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

মিরপুর ডিওএইচএস কালচারাল সেন্টার উদ্বোধন
একইদিনে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ মিরপুর ডিওএইচএস এ নবনির্মিত কালচারাল সেন্টার উদ্বোধন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ডিওএইচএস পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিরপুর ডিওএইচএস কালচারাল সেন্টারটিতে ব্যাংক, কনভেনশন হল, উন্নত চিকিৎসা সুবিধা, কর্পোরেট অফিস, জিমনেশিয়াম, সেলুন, পার্লার, ক্যাফে, ই-গেমিং জোনসহ সম্ভাব্য সকল আধুনিক নাগরিক সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে যা এই এলাকায় বসবাসরত জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে সেনাবাহিনী প্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন।