খাগড়াছড়িতে নির্বাচনী পরিবেশে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছায়া, রেডমার্ক কেন্দ্র ঘিরে আতঙ্ক

খাগড়াছড়িতে নির্বাচনী পরিবেশে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছায়া, রেডমার্ক কেন্দ্র ঘিরে আতঙ্ক

খাগড়াছড়িতে নির্বাচনী পরিবেশে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছায়া, রেডমার্ক কেন্দ্র ঘিরে আতঙ্ক

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask:136; brp_del_th:0.0008,0.0000; brp_del_sen:0.1000,0.0090; motionR: null; delta:null; bokeh:0; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 3145728;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 261.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: weather?Sunny, icon:0, weatherInfo:101;temperature: 42;

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ (রেডমার্ক) ভোটকেন্দ্রগুলোতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, পাহাড়ের কিছু সশস্ত্র সংগঠন পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

খাগড়াছড়ি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট আঃ মালেক মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী। বক্তব্যে বলা হয়, দীর্ঘ সময় পর একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা তৈরি হলেও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতায় ভোটারদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, খাগড়াছড়ি আসনের মোট ২০৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২১টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ বা রেডমার্ক হিসেবে চিহ্নিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মাঠপর্যায়ের তথ্যে উঠে আসা এই চিত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে, সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভোট প্রভাবিত করার কৌশল নিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় কিছু সশস্ত্র সংগঠন তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে ভোট আদায়ের লক্ষ্যে সাধারণ ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে। কোথাও কোথাও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়। অনেক এলাকায় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং অবৈধ অস্ত্রের মহড়া দেখিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রিসাইডিং অফিসারদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ভৌগোলিক ঝুঁকিকে কাজে লাগিয়ে একটি সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নির্বাচনী পরিবেশ ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সহিংসতার পথ বেছে নিতে পারে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাস মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়। বক্তারা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন, দুর্গম এলাকায় আগাম বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা একযোগে বলেন, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

প্রসঙ্গত, পাহাড়ি অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের প্রভাব ও অতীতের সহিংস নির্বাচনী অভিজ্ঞতার কারণে খাগড়াছড়ির ভোটকেন্দ্রগুলোকে এবার বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে, যা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed