ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান

ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান

ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলের দায়িত্বশীল সেনাসদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটি সফর করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আজ রবিবার (২২ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই সফরে তিনি রাঙামাটির বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

এ সময় তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত সদস্যদের সার্বিক পরিস্থিতি, দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান

পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পার্বত্য এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও সেনাসদস্যরা যে দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন, তা দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত গর্বের।

তিনি ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান

সফরকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল হোসাইন আল মোরশেদ, ২৪ পদাতিক ডিভিশন-এর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসান, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হকসহ সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরাও এই পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাবাহিনী প্রধান

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের পরিদর্শন কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সেনাসদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং তাদের দায়িত্ব পালনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ঈদের মতো ধর্মীয় উৎসবের সময় পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা সদস্যদের জন্য এমন উদ্যোগ মানসিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তারা আরও মনে করেন, সেনাপ্রধানের সরাসরি উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা পার্বত্য অঞ্চলে চলমান নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সংহতি ও পেশাদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।