রোহিঙ্গা সংকট ‘গুরুতর মানবিক সংকট’: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে খলিল
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রোহিঙ্গা সংকটকে ‘গুরুতর মানবিক সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘সহিংসতা কোনো সমস্যার সমাধান বয়ে আনবে না। এটি সমস্যাকে আরও দীর্ঘায়িত করবে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করবে। শুধুমাত্র আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই আমরা এক হয়ে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারি।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বলেন, এটি একটি গুরুতর মানবিক সংকট। একটি জনগোষ্ঠী আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ঘরবাড়িতে বোমা হামলা হয়েছে, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, নিজ দেশের মানুষের দ্বারা তারা বিতাড়িত হয়েছে। এমনকি গর্ভবতী মায়েদের পেট কেটে ভ্রূণ বের করে আগুনে ছুড়ে ফেলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘তবে আমি তাদের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা, টিকে থাকার শক্তি এবং বাড়ি ফেরার আকাঙ্ক্ষা দেখেছি। গত বছর মহাসচিব যখন কক্সবাজার সফর করেন, সেসময় এক লাখেরও বেশি শরণার্থী রমজানের এক সন্ধ্যায় তার সঙ্গে ইফতার করতে জড়ো হয়েছিলেন। প্রত্যেকের হাতে একটি করে প্ল্যাকার্ড ছিল, যাতে লেখা ছিল—আমরা বাড়ি ফিরতে চাই।’
খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি সাধারণ পরিষদকে এত গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, কারণ এটি এমন একটি জায়গা, বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এখানে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পথ অনুসন্ধান করতে একত্র হন।’
প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহ শুরু হয়েছে। এটি জাতিসংঘের বার্ষিক কার্যক্রমের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। এই সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা নিউইয়র্কে জড়ো হন।
এর আগে সম্প্রতি খলিলুর রহমান ইউএন নিউজের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সেখানে ব্যাখ্যা করেন, ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় রূপান্তর’ বাস্তবে কেমন হতে পারে, কেন তিনি মনে করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) জাতিসংঘের জন্য এর আগে মোকাবিলা করা যেকোনো চ্যালেঞ্জের চেয়ে ভিন্ন ধরনের পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া কী কী শিক্ষা তিনি তার বর্তমান দায়িত্বে কাজে লাগাচ্ছেন।
জাতিসংঘের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। এছাড়া এই সংকট সমাধানে আরও জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা আহ্বান করবেন।
স্থানীয় সময় ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ আয়োজিত একটি পার্শ্ব-আয়োজনে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন।
এর আগে, রবিবার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম রোহিঙ্গা ইস্যুকে ‘অব্যাহত সংকট’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বনেতাদের এই সমাবেশকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আবারও রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপকতা এবং এর ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরবে।
সিয়াম বলেন, ‘আমরা আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে রোহিঙ্গা ইস্যুর ব্যাপকতা, এর ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ এবং বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সহায়তা ও সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরব।’
বাংলাদেশ বারবার বলে আসছে যে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।
এদিন তার বক্তব্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি সমালোচকদের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন, যারা নিরাপত্তা পরিষদ অচলাবস্থায় থাকায় সাধারণ পরিষদকে কার্যত ক্ষমতাহীন বলে মনে করেন।
একই সঙ্গে তিনি চার দশকেরও বেশি সময় আগে আরেকজন বাংলাদেশি কীভাবে সাধারণ পরিষদের নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই কথাও স্মরণ করেন।
৩৫ বছর ধরে কোনো না কোনোভাবে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করা এই সংস্থায় আস্থার সংকট চলছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে ইউএনজি ‘র ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।
খলিলুর রহমান বলেন, ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে তার প্রধান লক্ষ্য হলো আস্থা পুনঃস্থাপন।
তিনি এসময় ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য এবং সেসময়ের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রত্যাশার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে সংস্থাটির অর্জনের ব্যবধান নিয়েও আলোচনা করেন।
খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই সমাবেশ বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে তারা কীভাবে বিশ্ব, তাদের অঞ্চল ও নিজ নিজ দেশকে দেখেন এবং জাতিসংঘের কাছে তাদের প্রত্যাশা কী প্রভৃতি সম্পর্কে জানার এক অনন্য সুযোগ।
তিনি বলেন, ‘আমি সবচেয়ে গভীরভাবে জানতে চাই, তারা সংস্থাটির প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের বিষয়ে কী বলেন।’
এটিকে তার সভাপতিত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি এটিকে আমার নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে মনে করছি। আমি এই কর্মসূচিতে আমার কাজের পথনির্দেশনা হিসেবে তাদের মতামত কাজে লাগাতে চাই।’
১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার কথা স্মরণ করে খলিলুর ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের কথা বলেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল প্রায় আট দিন বৈঠক করেছিলেন।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তারা এমন একটি বিশ্ব সংস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন, যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দুই বিশ্বযুদ্ধে দেখা সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো।
খলিলুর রহমান বলেন, ‘সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল দাঁড়িয়ে করতালি দিয়েছিল এবং কিছুক্ষণ দাঁড়িয়েই ছিল। জাতিসংঘ শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হবে, এটি ছিল এই আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর আট দশকে বিশ্ব বড় ধরনের বৈশ্বিক সংঘাত এড়াতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে বলতে পারি, এর পরের আট দশকে আমরা বড় ধরনের বৈশ্বিক সংঘাত এড়াতে পেরেছি।’
খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সময় আলোচনার টেবিলে না থাকা দেশগুলোও পরবর্তীকালে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং জাতিসংঘের মধ্যে একটি শক্তিশালী উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘একই সময়ে আমরা অনেক সংঘাত প্রতিরোধ করতে পারিনি এবং উন্নয়নের অগ্রগতিও প্রায়ই ধীর ছিল।’
খলিলুর রহমান বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদ যাতে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করে এবং যে প্রত্যাশা নিয়ে এটি গঠিত হয়েছিল সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’
তিনি বলেন, শান্তি ও উন্নয়ন—এই দুই ক্ষেত্রেই বড় ধরনের প্রত্যাশা অপূর্ণ রয়েছে। এর ফলে হতাশা তৈরি হয়েছে এবং মানুষের মধ্যে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে জাতিসংঘ তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। এতে আস্থা কমেছে।’
খলিলুর রহমান জাতিসংঘের তৃতীয় স্তম্ভ হিসেবে মানবাধিকারের বিষয়টিও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘মানবাধিকারের বিষয়টিও উল্লেখ করা উচিত, এটি আমাদের তৃতীয় স্তম্ভ। আমাদের মোট ব্যয়ের মাত্র ৪ শতাংশ এ খাতে ব্যয় হয়। এক্ষেত্রে আমরা বেশ কিছু বড় অগ্রগতি অর্জন করেছি, তবে এখনও অনেক কিছু করার বাকি আছে।’
খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার সময় সংস্থাটির প্রতি যে আস্থা ছিল, তা ফিরিয়ে আনতে তিনটি স্তম্ভেই আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এ জন্য সব সদস্যরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
এআইয়ে প্রয়োজন সুরক্ষা ব্যবস্থা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, এই প্রযুক্তি ‘মানবজাতির অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করার বড় মাধ্যম’ হতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি মানবজাতির জন্য গুরুতর ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্ভাবনের গতি কমানো উচিত নয়, এটি অব্যাহত রাখতে হবে। তবে সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে এই উদ্ভাবন মানবতার বিরুদ্ধে কাজ না করে; বরং কাজে লাগে।’
খলিলুর রহমান বলেন, এ ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থা তৈরির দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। এআই তৈরি ও ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সবার এ বিষয়ে দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এটি শুধু সরকারের কাজ নয়, প্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহারের সঙ্গে বাস্তবে জড়িত সবারই দায়িত্ব এটি।’
খলিলুর রহমান বলেন, ‘সামনে যেসব আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হবে, সেখানে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অংশ নিতে হবে, যাতে আমরা এআইকে সত্যিকার অর্থে মানবতার সেবায় ব্যবহারের জন্য একটি নিরাপদ পথ খুঁজে পাই।’
ইউএনজিএর মানুষকে একত্র করার ক্ষমতা
সাধারণ পরিষদের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রহমান বলেন, উচ্চপর্যায়ে এর ধারাবাহিক অংশগ্রহণই এর কার্যকারিতা প্রমাণ করে।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ পরিষদ যদি অপ্রয়োজনীয় হতো, তাহলে উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহ হতো না এবং রাষ্ট্রপ্রধানরাও আসতেন না। এর নিশ্চয়ই কোনো না কোনো উপযোগিতা আছে।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ‘মানুষকে একত্র করার অসাধারণ ক্ষমতা’কে সংস্থাটির অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
খলিলুর রহমান বলেন, সাধারণ পরিষদের এমন কিছু মানুষকে একত্র করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে, যারা পুরো বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করে।
তিনি বলেন, কূটনীতি সবসময় প্রকাশ্যে পরিচালিত হয় না। সাধারণ পরিষদ সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে একসঙ্গে আলোচনা এবং সেগুলোর সমাধানের পথ খুঁজে বের করার জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ দেয়।
খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সমাজ পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে তাদের মতামত সরাসরি শোনার এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাজের ক্ষেত্রে সাধারণ পরিষদ নিয়ম নির্ধারণ এবং সামগ্রিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।’
দায়িত্ব হস্তান্তরের দিকে নজর
ইউএনজিএর সভাপতি বলেন, তিনি শুধু তার সভাপতিত্বের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারগুলোর দিকে নয়, উত্তরসূরির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে কী অর্জন করতে পারবেন, সেদিকেও নজর দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি আমার প্রতিনিধিদের এ কথাই বলেছি—আমি আজকের দিকে তাকাচ্ছি না। আমি সেই দিনের দিকে তাকাচ্ছি, যেদিন আমার উত্তরসূরির কাছে সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করব।’
তিনি তিনটি ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেন—প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্যে সহায়তা করা, জাতিসংঘের আর্থিক সক্ষমতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা।
খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি যদি সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে সংস্থাটির প্রয়োজনীয় সংস্কারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে, এর আর্থিক সক্ষমতা বজায় রাখতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করতে পারি—এসবের যেকোনো একটিতেও যদি কিছুটা অগ্রগতি হয়, তাহলে আমি আনন্দের সঙ্গে আমার উত্তরসূরির কাছে সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারব।’
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।